যশোরে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় ছাত্রদলের নেতা গ্রেপ্তার
যশোরে কলেজ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা: গ্রেপ্তার, অভিযোগ ও পাল্টা দাবি
যশোরের চৌগাছা উপজেলায় এক কলেজছাত্রীর করা ধর্ষণের অভিযোগে কলেজ ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তের পরিবার ও দলীয় নেতারা অভিযোগটি অস্বীকার করে এটিকে পূর্বশত্রুতার জেরে সাজানো মামলা বলে দাবি করেছেন।
কী ঘটেছে?
পুলিশ জানায়, চৌগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত হোসেন (২২)–এর বিরুদ্ধে উপজেলার এক ১৮ বছর বয়সী উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে চৌগাছা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আরাফাতকে গ্রেপ্তার করে। জানা যায়, তিনি এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ঘটনার পর ওই তরুণী বাড়িতে ফিরে পুরো বিষয়টি তাঁর বাবা-মাকে জানান। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি চৌগাছা থানায় গিয়ে নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য
অভিযোগ অস্বীকার করে চৌগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইমন হাসান বলেন, আরাফাতের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তাঁর দাবি, প্রায় ১৫ বছর ধরে অভিযুক্তের পরিবারের সঙ্গে অভিযোগকারীর পরিবারের বিরোধ চলে আসছে এবং এ নিয়ে আদালতে মামলাও বিচারাধীন। সেই বিরোধে সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্যেই ধর্ষণের অভিযোগ এনে একটি সাজানো মামলা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তদন্ত চলমান
এ ঘটনায় পুলিশ মামলা তদন্ত করছে। অভিযোগের সত্যতা এবং উভয় পক্ষের দাবির বিষয়ে তদন্ত শেষে আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণ ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রকৃত ঘটনা নির্ধারিত হবে।
বিঃদ্রঃ এই মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত নন।

Post a Comment